কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

 

কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী চললে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজম শক্তি উন্নত করতে, এবং ঠান্ডা কাশীর মতো অসুস্থ তা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহায়ক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।চুল ভালো রাখতে, এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে।বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা উঠে এসেছে যে কালোজিরাতে প্রায় সকল প্রকার রোগের  প্রতিকার ও প্রতিষেধক গুন পাওয়া যায়।

কালোজিরা সরাসরি চিবিয়ে, তেলে ভেজে, অথবা বিভিন্ন খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। এটি হজম শক্তি বাড়াতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে, রক্তচাপ ও রক্তের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পেজ সূচিপত্রঃ কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম কালোজিরা মানুষের কাছে অনেক উপকারী একটি ওষুধ হিসেবে পরিচিত। এত ছোট ছোট দানা গুলোর মাঝে মহান সৃষ্টিকর্তা এক বিশাল উপকারী গুনগত ক্ষমতা প্রদান করেছেন যা সত্যিই বিস্ময়কর। আদিকাল থেকে শুরু করে আজ অব্দি কালোজিরা মানুষের শরীরের নানান জটিল রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা উঠে এসেছে যে কালোজিরাতে প্রায় সকল প্রকার রোগের  প্রতিকার ও প্রতিষেধক গুন পাওয়া যায়।

প্রায় শতাধিক পুষ্টি ও উপকারী উপাদান ভরপুর কালোজিরায়। নিয়মিত কালোজিরা খাদ্য হিসেবে খাওয়া অভ্যাস গড়ে তুললে আমাদের শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে সুস্থতা রক্ষাতে কালোজিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও কালোজিরার ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ  রয়েছে। শরীর সুস্থতা রক্ষা করতে কালোজিরা আদিকাল হতে আজ অব্দি গুরুত্বপূর্ণ উপকারী ভূমিকা পালন করছে।

কালোজিরা খাবারের সাথে খাওয়ার নিয়ম 

কালোজিরা খাবার হিসেবে কাঁচা, ভেজে, বা গুড়ো করে খাওয়া যায। ভাতের সাথে বা রুটি-মুড়ির সাথে মিশিয়ে খাওয়া একটি সাধারন পদ্ধতি। এটি মধু, রসুন, পেয়ারা, বাতার রস বা অন্যান্য পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। কালোজিরা খাবারের সাথে খাওয়ার কিছু নিয়ম নিচে দেওয়া হল 

  • কালোজিরা কাঁচা খাওয়াঃ সকালে খালি পেটে ১ চা চামচ কালোজিরা চিবিয়ে খাওয়া যায়।
  • গরম পানির সাথেঃ চা অথবা গরম জলের সাথে ১ চা চামচ কালোজিরা মিশিয়ে পান করতে পারেন
  • খাবার সাথেঃ গরম খাবার ভাত রুটির সাথে মিশিয়ে কালোজিরা খাওয়া ভালো
  • মধুর সাথেঃ এক চা চামচ কালোজিরা গুড়ার সাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে বা রাতে খেতে পারেন
  • রসুনের সাথেঃ কালোজিরা রসুন ও মধু একসঙ্গে মিশে খাওয়া যায় যা একটি প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যট্রনিক হিসেবে কাজ করে
  • পেয়ারা পাতার রসঃ কালোজিরা গুঁড়ো করে পেয়ারা পাতার রসের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় এলার্জির জন্য উপকারী
  • গুঁড়ো করেঃ সালাত সুপ বা সুধীর সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়

আরো পড়ুনঃ রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচি

মনে রাখার মত বিষয়ঃ

  • পরিমাণঃ প্রতিদিন 1 থেকে 2 চা চামচ প্রায় ৫ গ্রাম কালোজিরা খাওয়া নিরাপদ অতিরিক্ত খেলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে
  • খালি পেটেঃ সকালে খালি পেটে কালোজিরা খেলে এর উপকারিতা বেশি পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়।

কালোজিরা ফোঁড়ন হিসাবে খাওয়ার নিয়ম 

কালোজিরা ফোঁড়ন হিসেবে ব্যবহার করতে হলে, রান্নার শুরুতে তেল গরম করে কালোজিরা ফোঁড়ন দিন। এটি তরকারি বা সবজি স্বাদ ও গুনাগুন বাড়ায়। সাধারণত এটি পাঁচফোড়নের একটি উপাদান হিসেবে ও ব্যবহৃত হয় এবং অন্যান্য রান্নার মসলার সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কালোজিরা ফোঁড়ন হিসেবে ব্যবহারের সুবিধা এটি রান্নার একটি সুগন্ধি মসলা, যা খাবারের বিভিন্ন মাত্রা যোগ করে। কালোজিরা সরাসরি তেল হিসেবে বা কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া যায় যা ফোঁড়ন হিসেবে খাওয়ার থেকে ভিন্ন উপায়ে উপকারী। হিসেবে কালোজিরা নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

কালোজিরা মধু ও তেলের সাথে খাওয়ার পদ্ধতি

মধু ও  তেলের সাথে কালোজিরা খাওয়ার জন্য, এক চা চামচ কালোজিরা তেলের সাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খাবারের আগে সেবন করতে পারেন। অথবা, এক চা চামচ কালোজিরা গুঁড়ো বা তেলের সাথে সম পরিমাণ মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খেতে পারেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনি যদি জানেন তাহলে কালোজিরা গুড়ো করে সরাসরি মধু ও তুলসী পাতার রসের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন, যা সর্দি কাশি ও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। আরো একটি উপায় হল গরম চা বা কোন গরম পানির সাথে কালোজিরা তেল ও মধু মিশিয়ে পান করা। উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা কমাতে প্রতিদিন গরম পানির সাথে কালোজিরা পান করার অভ্যাস করতে পারেন।

কালোজিরা গরম পানির সাথে খাওয়ার নিয়ম

কালোজিরা গরম পানির সাথে খাওয়ার জন্য, আধা চা চামচ কালোজিরা গুড়ো গরম পানির সাথে মিশে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। এটি হজম শক্তি বাড়াতে এবং সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। বিকল্পভাবে, এক চা চামচ মধুর সাথে এক চিমটি কালোজিরা গুঁড়ো মিশিয়ে গরম পানি সাথে খেতে পারেন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আধা চা চামচ কালোজিরা গুঁড়ো একটা হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। আপনি চাইলে কালোজিরা গুঁড়ো ও মধুর একটি মিশ্রণ তৈরি করতে পারেন। এক চা চামচ কালোজিরা ও এক চা চামচ মধুর সাথে অল্প গরম পানি মিশিয়ে খেতে পারেন।

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে কালোজিরার উপকারিতা

কালোজিরাই অনেক সমস্যার সমাধান আছে। এর মধ্যে দুটি সমস্যার প্রায় সব পরিবারও আছে বদহজম গ্যাস্টিক। এই দুই সমস্যা সমাধানে কালোজিরা খুব কার্যকর তবে সেটা খেতে হবে সঠিকভাবে এবার জেনে নিন কি সেই সঠিক নিয়ম বা উপায়।বদহজম এই সময়ের একটি সাধারণ সমস্যা। প্রায় সবাই বদহজমের সমস্যায় পড়েন কমবেশি।

খাবারের একটু এদিক সেদিক হলেই শুরু হয়ে যায় পেটের সমস্যা। অন্যদিকে ডায়াবেটিস রোগীদের বদ হজম তোর প্রধান সমস্যা। হজমে সমস্যা দূর করতে কালোজিরার উপকারিতা কথা বলে শেষ করা যাবে না। বদহজম সমস্যা দূর করতে কালোজিরা খেয়ে দেখুন কোন প্রকার ওষুধ ছাড়াই দূর হবে বদহজম।
হজমের সমস্যা দূর করতে১ থেকে ২ চা চামচ কালোজিরা ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেন এরপর সেটা ভালো করে বেটে পানির সঙ্গে গুলিয়ে খেতে থাকুন প্রতিদিন ২-৩ বার। এভাবে খেলে এক মাসের মধ্যে পেটে সমস্যা তো দূর হবেই, সঙ্গে বাড়বে হজম শক্তি পাশাপাশি পেট ফাঁপা ভাব কেটে যাবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার উপকারিতা

ওজন নিয়ন্ত্রণে কালোজিরা অনেক উপকারি। এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে মেটাবলিক রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং অতিরিক্ত খোদা ও মেদ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কালোজিরায় থাকা ফাইভার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত রাখে। 
কালোজিরায় থাকা ফাইভার অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। মেটাবলিক নিয়ন্ত্রণ এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে এবং শুথলতা জন্য দায়ি এবং মেটাবলিক রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। কালোজিরায় থাকা সক্রিয় ফাইট্রমেক্সিক্যাল মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। মেটাজোলিজম বৃদ্ধি করে কালোজিরা অতিরিক্ত মেদ কমাতে এবং ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার উপকারিতা

কালোজিরা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কারণ এতে এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালির ক্ষতি রুধ করে। এটি একটি প্রাকৃতিক ডাইইউেটিক হিসেবে কাজ করে শরীরে থেকে অতিরিক্ত লবণ ও পানি বের করে দেয় এবং রক্তনালীর পরে রক্ত সঞ্চালন উন্নয়ন করে যার রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। এছাড়া এটি খারাপ কোন স্টল কমাতে এবং রক্তের ফ্যাটের মাথা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে নিচে বর্ণনা করা হলো।

  • রক্তনালীর কার্যকারিতা বৃদ্ধিঃ কালোজিরায় থাকা থাইমকুইনোন ও নাইজেলেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যাল কমিয়ে রক্তনালির ক্ষতিরোধ করে এবং স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
  • প্রাকৃতিক ডাইইউেটিকঃ এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও পানি বের করে দেই ফলে রক্তের পরিমাণ কমে আসে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • রক্ত সঞ্চালন উন্নয়ন করেঃ কালোজিরা রক্তনালীর দেওয়ালের মসৃণ পেশী সিথিল করতে সাহায্য করে যা রক্তনালীকে প্রশান্ত করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নয়ন করে। এতে হৃৎপিণ্ডের উপর চাপ কমে।
  • খারাপ কোলেস্টেরল ও চর্বি কমায়ঃ গবেষণায় দেখা গেছে কালোজিরা খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল এবং রক্তের ফ্যাটের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা উক্ত রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।
  • প্রদাহ কমায়ঃ দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ রক্তচাপ বাড়াতে পারে। কালোজিরা এই প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার উপকারিটা

মৃত্যু বাদে সব ধরনের অসুখ সারাই আমাদের রান্না ঘরে থাকা অন্তত উপকারী মসলা কারোজিরা । এমন একটা কথা প্রচলিত আছে কথাটা যে একেবারে অমূলক নয় তা এই প্রতিবেদন পরলেই বুঝতে পারবেন।
কালোজিরাই রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর উপাদান এককাধিক জটিল কুটিল রোগের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে।

তাই সুস্থ থাকতে রান্নায় কালোজিরা ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি মুখেও এই মসলা সেবন করুন। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।সে ক্ষেত্রে এক ছোট চা চামচ কালোজিরা পানি দিয়ে চট করে গিলে নিতে পারেন। এভাবে সপ্তাহে মাত্র দুই থেকে তিন দিন এই ভেষজ সেবন করতে পারলে কিন্তু উপকার মিলবে হাতেনাতে। এমনকি এড়িয়ে চলা যাবেনা নানা রোগের ফাঁদ।

সুতরাং আর সময় নষ্ট না করে কালোজিরা সেবন করার একাধিক অবাক করা গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন তারপর আপনিও নিয়মিত এই ভেষজ সেবন করবেন। তাতেই ফিরবে আপনার স্বাস্থ্যের হাল এবং সুস্থ থাকবেন কালোজিরা ডাইবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকরী।

মাসিকের সমস্যা উপশম করতে কালোজিরা উপকারিতা

মাসিকের সমস্যায় যেমন অনিয়মিত মাসিক, অনিয়ম এবং ব্যাথা উপশমে কালোজিরা উপকারী হতে পারে। এটি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে, ব্যথা কমাতে এবং মাসিক নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। কালোজিরা সরাসরি সেবন করা যায় অথবা এর তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। মাসিকের সমস্যা উপশম করতে কালোজিরা ব্যবহারের কিছু টিপস,

  • অনিয়মিত মাসিশী নিয়ন্ত্রণঃ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কালোজিরা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যা মাসিক চক্র কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
  • মাসিকের ব্যথা উপশমঃ মাসিক চক্রের সঙ্গে ব্যাথা হলে কালোজিরা তেল মালিশ করলে ব্যথা আরাম পাওয়া যায়।
  • অতিরিক্ত রক্ত স্রাব রোধঃ এটি অতি দ্রুত রক্ত স্রাব নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
  • হরমোনের ভারসাম্যঃ কালোজিরায় থাকা ফ্লাইটোইস্ট্রোজেন ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করে হর মনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • সকালের ব্যবহারঃ নিয়মিত পিরিয়ডের জন্য পিরিয়ড শুরুর ৫-৭ দিন আগে থেকে অল্প গরম জলের সাথে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খেতে পারেন।

হাড় শক্ত করার জন্য কালোজিরা উপকারিতা

কালোজিরায় রয়েছে কালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, কপার, ও জিংক এছাড়াও ভিটামিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও এন্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ কালোজিরায়। এসব উপাদান আমাদের সুস্থতার জন্য ভীষণ জরুরী এবং হাড় শক্ত করার জন্য কালোজিরার উপকার অনেক।কালোজিরায় থাকা ক্যালসিয়াম ও আয়রন হার শক্ত করতে ও হিমোগ্লোবিন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

এতে থাকা জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ঝুকে কমাতে সক্ষম কালোজিরা। লিভার ও কিডনি সুস্থ রাখে এটি, কালোজিরা ফসফরাসের উৎস এর উপাদানটি রক্ত জমাট বাধার প্রতিক্রিয়া সাহায্য করে। এক চা চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ কালোজিরা তেল মিশিয়ে খেলে সর্দি কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এছাড়া তুলসী পাতার রসের সঙ্গে মধু ও কালোজিরা মিশিয়ে খেলে গলা ব্যথা জ্বর সর্দি কাশি কমে যায়।

ক্যান্সারের ঝুকি হেস করার জন্য কালোজিরার উপকারিতা

সৃষ্টির শুরুর আদিকাল থেকে এখন পর্যন্ত কারলোজিরার মসলা ও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রাচীন ইতিহাসে কালোজিরা কে মানবদেহের জন্য মহোষদ মনে করা হতো। প্রাচীনকাল থেকে এখন আয়ুর্বেদিক ইউনানী ও কবিরাজি তে কালোজিরা তেল ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।ওষুধ গুণে ভরা কালোজিরার গুণের কথা অনেকেই জানা।

আয়ুর্বেদে কালোজিরাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক ধরনের রোগ নিরাময় করতে পারে কালোজিরা ও এর তেল। কালোজিরা ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি করার জন্য কালোজিরার উপকারিতা অনেক।

আমাদের মন্তব্যঃ কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

কালোজিরার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি জানলেন এর পাশাপাশি আপনি আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানেলেন যা আপনার শরীরকে সুস্থ রাখবে ও শান্তিময় করে তুলবে।তবে আপনি যদি উপরের বিষয়গুলো ভালোভাবে না জেনে কালোজিরা অধিক পরিমাণে খেয়ে ফেলেন তবে কালোজিরা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে আপনার শরীরের ক্ষতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাদের সচেতন থাকতে হবে।

আপনি যদি নিয়মিত সঠিক নিয়মে কালোজিরা খেতে থাকেন তাহলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং রোদ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।আপনি যদি নিয়মিত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে চান তবে আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করুন এখানে আপনি নিয়মিত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সুমি২৪ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url