প্রিয় পাঠক আপনি যদি রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও ভাড়া সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আজকের আর্টিকেল আপনার জন্যই, আজকে আমরা রাজশাহী
থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া সম্পর্কে আলোচনা করব।
আপনি যদি রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনে যাতায়াত করতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার
জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ এখানে আমরা ট্রেনের সময়সূচি টিকিটের মূল্য ছিটের ধরনের
এবং টিকিট বুকিং এর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করব এই তথ্যগুলো জানা
থাকলে আপনার যাত্রা পরিকল্পনা আরো সৌনি নির্দিষ্ট এবং আরামদায়ক হবে । তবে চলুন
রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি ও ভাড়া সম্পর্কে খুব সহজেই জেনে নেওয়া
যাক।
রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া পড়াশোনা, চাকরি, ব্যাবসার ক্ষেত্রে, সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা ঈদের ছুটি অথবা বিশেষ প্রয়োজনে আমরা রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়া আসা করে থাকি।রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সঠিক সময় সম্পর্কে আমাদের ধারণা না থাকায় প্রায় সময় আমরা সবাই হিমশিম খেয়ে যাই। রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনে যাতায়াত করতে চাইলে ট্রেনের সময়সূচি যানা অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়সূচি জানা থাকলে আপনি আপনার যাত্রা পরিকল্পনা সহজে করতে পারবেন এবং সময় মতো গন্তব্য পৌঁছাতে পারবেন ।
বর্তমানে রাজশাহী থেকে ঢাকা রুটে ৫ টি ট্রেন চলাচল করে প্রতিটি ট্রেনের নির্দিষ্ট ছাড়া সময়, পৌঁছানোর সময় এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন রয়েছে। রাজশাহী থেকে ঢাকা যাতায়াত কৃত পাঁচটি ট্রেনের যাওয়ার সময় পৌঁছানোর সময় এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন উল্লেখ করা হলো।
মধুমতি এক্সপ্রেসঃ শুক্রবার থেকে বুধবার রাজশাহী থেকে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়ে সকাল ০৬ঃ৪০ মিনিটে এবং ঢাকায় গিয়ে পৌঁছায় দুপুর ০২ঃ০০ টাই । বৃহস্পতিবার ছুটির দিন।
সিল্ক সিটি এক্সপ্রেসঃ সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়ে সকাল ০৭ঃ৪০মিনিট এবং ঢাকায় গিয়ে পৌঁছায় ০১:২০ মিনিট। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
বনলতা এক্সপ্রেসঃ শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার বনলতা এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে ট্রেন ছাড়ে সকাল ০৭ঃ০০ মিনিট এবং ঢাকা গিয়ে পৌঁছয় ১১ঃ৩৫ মিনিট। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
পদ্মা এক্সপ্রেসঃ বুধবার থেকে সোমবার রাজশাহী থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস ছাড়ে বিকেল ০৪ঃ০০ টাই এবং ঢাকায় গিয়ে পৌঁছায় রাত ৯ঃ২৫ মিনিট। মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
ধুমকেতু এক্সপ্রেসঃ বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার রাজশাহী থেকে ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়ে ১১ঃ২০ মিনিট এবং ঢাকায় গিয়ে পৌঁছায় বিকেল ০৫ঃ০০ মিনিটে। বুধবার সাপ্তাহিক ছুটি দেন।
রাজশাহী টু ঢাকা ট্রেন ভাড়া সম্পর্কে
অন্যান্য সকল যানবাহনের থেকে বর্তমানে ট্রেন ভাড়া তুলনামূলক কম। কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ৪ই মে থেকে নতুন ভাবে ১০০ মিটারের পর থেকে ভাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হবে।
১০১ থেকে ২৫০ কিলোমিটারের অতিরিক্ত দূরত্বের সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে ২০% । ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের অতিরিক্ত দূরত্বের সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে ২৫% । ২০১ থেকে কিলোমিটারের অতিরিক্ত দূরত্বের সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে ৩০% । এই দূরের গন্তব্য টেনের ভাড়া সর্বোচ্চ বাড়বে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ।
বর্তমান সময়ে পাওয়া ২০২৫ সালে রাজশাহী টু ঢাকা সকল ট্রেনের ভাড়ার বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হল।
রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনে যেতে শোভন চেয়ার সিটে ভাড়া লাগে ভ্যাট বাদে ৪৯৫ টারা।
রাজশাহী থেকে ঢাকা যেতে স্নিগ্ধা সিটে ভাড়া লাগে ভ্যাটসহ ৯৪৯ টাকা।
রাজশাহী থেকে ঢাকা যেতে এসি সিটে ভাড়া লাগে ভ্যাটসহ ১১৩৯ টাকা।
রাজশাহী থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার
রাজশাহী থেকে ঢাকার দূরত্ব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রুট হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এই দুই শহর অর্থনীতি, শিক্ষ, প্রশাসন ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক পথে রাজশাহীর থেকে ঢাকার দূরত্ব প্রায় ২৪৫ থেকে ২৫০ কিলোমিটার। সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল হয়ে মহাসড়ক ধরে অতিক্রম করা হয়। এ পথে আধুনিক এক্সপ্রেস নতুন সেতুর কারণে ভ্রমণের আগে তুলনায় আরো আরামদায়ক ও দ্রুত হয়েছে। অন্যদিকে রেলপথে দূরত্ব কিছুটা বেশি প্রায় ৩৪০ থেকে ৩৪৫ কিলোমিটার।
কারণ ট্রেনের লাইন সরাসরি নাই এটি বিভিন্ন জেলা শহরে স্টেশন অতিক্রম করে ঢাকায় পৌঁছায় যা ভ্রমণকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করে তোলে। সাধারণত ৫ থেকে ৬ ঘন্টা সময় লাগে তবে যানজট বা আবহাওয়ার কারণে সময় কম বেশি হতে পারে। রেলপথে ইন্টারসিটি ট্রেনগুলো গড়ে ৪ থেকে ৬ ঘন্টা সময় নিয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছায়। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করে যা দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ আরো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের আরামদায়ক ভ্রমণ টিপস
রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেন ভ্রমণ সাধারণত আরামদায়ক হলেও কিছু ছোট প্রস্তুতি নিলে যাত্রা আরো সচ্ছন্দ নিরাপদ এবং উপভোগ হয়। নিজে আপনাদের জন্য সহজ ১০টি কার্যকর ভ্রমণ টিপস দেওয়া হল।
১.আগে টিকিট কনফার্ম করে রাখুনঃ ট্রেনে ভিড় বেশি থাকে তাই আগেভাগে অনলাইনে বা কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কেটে রাখুন। সম্ভব হলে স্নিগ্ধা বা শোভন চেয়ারে সিট বেছে নেন এতে আরামদায়ক ভ্রমণ হবে।
২.পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে স্টেশনে পৌঁছানঃ ট্রেন মিস করার ঝুঁকে এড়াতে যাত্রার অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো ভালো সিটে গিয়ে ব্যাগগুলো ঠিকমতো স্থান করে রাখতে পারবেন।
৩.হালকা অপ্রজনীয় জিনিসপত্র বহন করুনঃ ব্যাগ যত হালকা হবে ভ্রম অন্তত আরামদায়ক হবে সঙ্গে রাখুন পানি, হালকা খাবার, টিস্যু, ওয়েট টিস্যু, পাওয়ার ব্যাংক, ছোট কম্বল ঠান্ডা লাগবে।
৪.মোবাইল চার্জ করে নিন পাওয়ার ব্যাংক রাখুনঃ ট্রেনে অনেক সময় চার্জিং পোর্ট থাকে না বা কাজ নাও করতে পারে এজন্য আগেই ফোন চার্জ করে রাখুন এবং প্রয়োজনে পাওয়ার ব্যাংক সাথে নেন।
৫.নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখুনঃ ব্যাগ সবসময় নিজের চোখে রাখুন জানালার পাশে বসে মোবাইল ব্যবহার করার সময় সাবধান থাকুন অপরিচিত কারো কাছ থেকে খাবার নেবেন না।
৬.আরামদায়ক পোশাক পড়ুনঃ দীর্ঘযাত্রা চার থেকে ছয় ঘন্টা হওয়ায় ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরলে ভ্রমণ স্বস্তিদায়ক হবে।
৭.শব্দ ও যান্ত্রিক বিরক্তি এড়াতে হেডফোন রাখুনঃ মিউজিক অডিও বুক অথবা কোরআন তেলোয়াত ওয়াজ শুনলে উপভোগ হবে।
৮.ট্রেন থামলে সাবধানে নামুন এবং উঠুনঃ দ্রুত নামা ওঠা চেষ্টা করবেন না প্লাটফর্মে অতিরিক্ত ভিড় হলে একটু অপেক্ষা করুন।
৯.সঠিক ট্রেন নির্বাচন করুনঃ রাজশাহী থেকে ঢাকা রুটে সিল্ক সিটি, ধূমকেতু, বনলতা, পদ্মা ট্রেনগুলো সাধারণত আরামদায়ক এবং পরিষেবা ভালো।
১০.জানালার পাশে বসে উপভোগ করুনঃ রাজশাহী থেকে ঢাকা পর্যন্ত পথটি সবুজ প্রকৃতি আর নদী নালা দারুন চাইলে ছবি তুলতে পারেন
ঢাকা ট্রেনের টিকিট কাটতে যেসব কাগজ লাগে
বর্তমান সময়ে ট্রেনের টিকিট কাটা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে গেছে। কেননা আগের মত আমাদের স্টেশনে গিয়ে টিকিট কাটা লাগে না বরং এখন অনলাইনের মাধ্যমে এটা সম্ভব হচ্ছে আমরা ঘরে বসেই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারছি। কিন্তু অনলাইন হোক কিংবা অফলাইন হক ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য বিশেষ কিছু কাগজপত্র দরকার।যেমনঃ
আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন হবে।
যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র নেই তারা জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ব্যবহার করতে পারেন বিশেষ করে এটা শিশুদের জন্য যাদের বয়স ১৮ এর নিচে।
অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে আপনার মোবাইল নাম্বার নিবন্ধন করতে হবে।
এরপর অনলাইনে পেমেন্টের জন্য আপনি বিকাশ বা নগদ কিংবা যে কোন কিছু ব্যবহার করতে পারে।
এরপরে সেখান থেকে সরাসরি টিকিট ডাউনলোড কিংবা সেটা প্রিন্টিং করে বের করে নিতে পারেন তবে অবশ্যই টিকিটটি খুব সতর্কতার সাথে রাখতে হবে।
রাজশাহী থেকে ঢাকার বাস ভাড়া
রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য পাশে যাওয়া হলে সাধারণত নিচের তথ্যগুলো মাথায় রাখা উচিত। রাজশাহী থেকে প্রায় ২৪৫ থেকে ২৫০ কিলোমিটার ঢাকা যাত্রাবাসে সাধারণত ৫ থেকে ৮ ঘন্টা সময় লাগে।বাস কোম্পানি ও সেবা অনুযায়ী পরিবর্তন হয় ভাড়া নন এসি হলে প্রায় ৬৫০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা হতে পারে এবং এসি বা কমফোর্ট বেস্ট ভেবে গেলে ১০০০ থেকে ১৪০০ পর্যন্ত হতে পারে।
রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বাস অপারেটর রয়েছে যেমনঃ ঢাকা ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, গ্রামীন ট্রাভেলস যারা নিয়মিত রাজশাহী চলাচল করে। আপনার যাত্রা শুরু করার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কাউন্টার অনলাইন প্লাটফর্মেটিকি দেখে নাও ভালো কারণ ভাড়া ও সময়সূচি সেই জন চাহিদা ও বাস কোম্পানির উপর নির্ভর করে পরিবর্তন হতে পারে।
ট্রেনের টিকিট বুকিং এর নিয়ম
ট্রেনের টিকিট বুকিং করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে, ধন্যবাদ বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজিটাল প্লাটফর্মকে আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারেন। এছাড়া নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশন এর টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যায় অনলাইন বুকিং এর জন্য আপনাকে প্রথমে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং তারপর পছন্দের ট্রেন তারিখ এবং সিট নির্বাচন করতে হবে।
অনলাইন বুকিং এর ক্ষেত্রে আপনি মোবাইল ব্যাংকিং ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।টিকিট বুকিং সময় আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার বা পাসপোর্ট নাম্বার প্রয়োজন হতে পারে । এছাড়া টিকিট বুকিং এর সময় সিটের ধরন শোভন, স্নিগ্ধ, এসি সিট, এসি বার্থ নির্বাচন করতে হবে অনলাইন বুকিং সিস্টেমের সময়সূচীর তথ্য দেখতে পারবেন।
রাজশাহী থেকে ঢাকার রাতে ট্রেনের ভাড়া
রাজশাহী থেকে ঢাকা রাস্তায় রাতে ট্রেনে যাওয়ার জন্য ধুমকেতু এক্সপ্রেস আছে । আপনি যদি রাজশাহী থেকে ঢাকায় ট্রেনে রাতে যেতে চান তাহলে রাতের জন্য সবচাইতে ভালো সুবিধা জনক হবে ধুমকেতু এক্সপ্রেস ১১:২০ মিনিট রাজশাহী স্টেশন থেকে ঢাকা রওনা হয় এবং প্রায় ভোর ৪ঃ৪৫ বা ৫ টায় ঢাকায় কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে পৌঁছায়।আপনি রাতে ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিয়ে ঢাকা পৌঁছাতে পারবেন।
ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার জন্য রাত্রে এ যাত্রাতে বেশ সুবিধা জনক যা সকাল-বিকাল চলাচলের চেয়ে বেশ সুবিধাজনক। টিকিটের ভাড়া আসনে ধরনের উপর নির্ভর করে বদলায়। শোভন চেয়ার ক্লাসে ভাড়া প্রায় ৩৪০ টাকা স্নিগ্ধ হলে ৫৭০ টাকা এবং এসিস্ট হলে ৬৮০ টাকা আর যদি আপনি এসি ব্র্যান্ড বেছে নেন যেটা স্লিপার বা বিছানা সুবিধাসহ ভাড়া প্রায় ১০২০টাকা হয়।
আপনি যদি রাতে যাত্রা দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে চান তাহলে আরাম বিশ্রাম টিপস হিসেবে ধুমকেতু এক্সপ্রেস এ সি ব্র্যান্ড বা এসি স্টার নিয়ে যাওয়া সবচেয়ে উপযুক্ত আর যদি আপনি বাজেট কম রাখতে চান তাহলে সোভন চেয়ার বেছে নেওয়া যায় যদি আরামের সুযোগ সীমিত হবে।
রাজশাহী থেকে ঢাকা কোন ট্রেন দ্রুত পৌঁছাতে পারে
রাজশাহী থেকে ঢাকা যাতায়াতকৃত পাঁচটি ট্রেন মধুমতি এক্সপ্রেস, সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধুমকেতু এক্সপ্রেস এগুলো চলাচল করে । রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য সবচাইতে দ্রুত ট্রেন হচ্ছে বনলতা এক্সপ্রেস। রাজশাহী থেকে বনলতা এক্সপ্রেস ছাড়ার সময় সকাল ৭ টা এবং ঢাকায় কমললাপুর গিয়ে পৌঁছায় ১১ঃ৩৫ মিনিটে ।
রাজশাহী থেকে ঢাকা শিশুদের জন্য টেনের ভাড়া কত
বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়ম অনুযায়ী তিন থেকে বারো বছর বয়সী শিশু হিসেবে গণ্য হয় এবং টিকিটের ভাড়া প্রাপ্তবয়স্কের ভাড়ার ৫০% ছাড়। রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য ৩ বছর থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য ট্রেনের ভাড়া নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে ৫০% কম। অর্থাৎ যদি প্রাপ্তবয়স্কদের ভাড়া ১০০ টাকা হয় তাহলে ৩-১২ বছরের শিশুদের জন্য ৫০ টাকা ।
আমাদের মন্তব্যঃরাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি রাজশাহী থেকে ঢাকা ট্রেনের সঠিক সময়সূচী এবং ভাড়া সম্পর্কে জেনেছেন, এর পাশাপাশি আপনি আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানলেন যা আপনার ভ্রমণকে সুন্দর ও শান্তিময় করে তুলতে পারে।
আরো পড়ুনঃ
তবে আপনি যদি উপরের বিষয়গুলো ভালোভাবে না জেনে নেন তবে বিভিন্নভাবে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের সচেতন থাকতে হবে ।আপনি যদি নিয়মিত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে চান তবে আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করুন এখানে আপনি নিয়মিত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবেন।
আপনি সুমি২৪ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url